• মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
Headline
জবিতে নারী শিক্ষার্থীদের গোপনে ছবি-ভিডিও ধারণের অভিযোগে এক ছাত্র আটক গাজীপুরের কালীগঞ্জে জমির বিরোধ নিয়ে সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৩ রাতে ১৩ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের জলঢাকায় শ্যাম্পুর প্যাকেট নিয়ে সংঘর্ষ, আইসিইউতে থাকা মকবুলের মৃত্যু; আসামি গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে পোশাকশিল্পে বাড়ল টিকে থাকার চাপ! শাওমি ১৮ প্রো ম্যাক্সে দুটি ২০০ পিক্সেলের ক্যামেরা, বাংলাদেশে কবে পাওয়া যাবে আক্কেল দাঁত কেন এত দেরিতে ওঠে, ব্যথা হওয়ার কারণ জানুন কুয়েতে বাংলাদেশি যাত্রীর কাছ থেকে সাড়ে ৪ কেজি গাঁজা ও ৬,২১১ এক্সট্যাসি ট্যাবলেট জব্দ শ্রীপুরে জমি বিক্রির নামে ৩ লাখ টাকা নেওয়া, পরে ১ লাখ ৬০ হাজার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে পোশাকশিল্পে বাড়ল টিকে থাকার চাপ!

প্রবাস পোস্ট, ডেস্ক / ১ টাইম:
আপডেট: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

একদিকে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট, অন্যদিকে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি। তার ওপর আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতাদের বাড়তি মূল্য দিতে অনীহা। অর্ডার কমে যাওয়া এবং একের পর এক কারখানা বন্ধ হওয়ার চাপও সামলাতে হচ্ছে দেশের তৈরি পোশাকশিল্পকে। এমন এক সময়ে নতুন করে চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। ফলে সংকটে থাকা এই শিল্পের উৎপাদন, পরিবহন ও সরবরাহ ব্যয় আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নতুন দামে এখন প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে নতুন দাম নির্ধারণের কথা জানানো হয়। নতুন দাম ওইদিন রাত ১২টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

এর আগে সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত ছিল। তখন ডিজেল ১১৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৪০ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল। সর্বশেষ বড় ধরনের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল এপ্রিলে। তখন ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা এবং অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম যথাক্রমে ২০, ১৯ ও ১৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল।

২০২৪ সাল থেকে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় দেশে খুচরা জ্বালানি তেলের দাম পর্যালোচনা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, আমদানি ব্যয়, কর ও শুল্ক, বিনিময় হারসহ অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে এ দাম সমন্বয় করা হয়।

সংকটের মধ্যে নতুন চাপ

জ্বালানি তেলের এই মূল্যবৃদ্ধির সময়টিতে তৈরি পোশাক খাত নানা ধরনের চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, বৈশ্বিক বাজারের অনিশ্চয়তা, অর্ডার কমে যাওয়া এবং কারখানা বন্ধ হওয়ার মতো সমস্যার সঙ্গে লড়তে হচ্ছে উদ্যোক্তাদের।

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক খাত। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের পোশাক রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৮ দশমিক ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরে এই আয় ছিল ৩৯ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক বছরে পোশাক রপ্তানি কমেছে ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

এর মধ্যে নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ২০ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৫৩ শতাংশ কম। ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৮ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার, কমেছে শূন্য দশমিক ৬১ শতাংশ। একই সময়ে মোট পণ্য রপ্তানিতে পোশাক খাতের অংশ ছিল প্রায় ৮০ দশমিক ৬২ শতাংশ।

dhakapost

বছরের শুরুতে জুলাইয়ে পোশাক রপ্তানি ২৪ দশমিক ৬৭ শতাংশ বাড়লেও পরবর্তী কয়েক মাসে ধারাবাহিক দুর্বলতা দেখা যায়। বিশেষ করে ডিসেম্বর ও মার্চে রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে। তবে এপ্রিল ও জুনে যথাক্রমে ৩১ দশমিক ২১ শতাংশ ও ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হওয়ায় পুরো বছরের পতন কিছুটা সীমিত হয়।

তবে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে অবশ্য পোশাক রপ্তানিতে কিছুটা ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। জুলাই-আগস্টে পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৭ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের ৭ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ৫ দশমিক ১২ শতাংশ বেশি। এ সময়ে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ। নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৪ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। কিন্তু এই প্রবৃদ্ধির মধ্যেই বড় প্রশ্ন—বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামলে এই ধারা কতটা ধরে রাখা যাবে?

যেভাবে বাড়তি খরচ যুক্ত হতে পারে তৈরি পোশাক শিল্পে

এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ঢাকা পোস্টকে বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পোশাকশিল্পে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। প্রথমত, নিজেদের জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে উৎপাদন খরচ বাড়বে। দ্বিতীয়ত, পরিবহন খাতে খরচ বাড়বে, যার প্রভাব পড়বে আমদানি ও রপ্তানি-দুই ক্ষেত্রেই। তৃতীয়ত, জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হবে এবং বিভিন্ন খাতে মজুরি বাড়ানোর দাবিও জোরালো হতে পারে।

সমস্যাটা এখানেই শেষ নয়। উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও আন্তর্জাতিক বাজারের ক্রেতাদের কাছ থেকে বাড়তি দাম আদায় করা সহজ নয় বলে জানিয়েছেন এই ব্যবসায়ী নেতা। তার মতে, উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও রপ্তানি বাজারের ক্রেতারা বাড়তি দাম দিতে চান না। বরং তারা প্রতি মৌসুমে দাম আরও কমানোর চেষ্টা করছেন।

মোহাম্মদ হাতেম বলেন, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও ক্রেতাদের দাম কমানোর চেষ্টার ফলে অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং উদ্যোক্তাদের টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। অর্থাৎ কারখানার ব্যয় বাড়ছে, কিন্তু সেই বাড়তি ব্যয় পণ্যের দামে যোগ করার সুযোগ সীমিত। ফলে বাড়তি ব্যয়ের একটি অংশ শেষ পর্যন্ত উদ্যোক্তার মুনাফা থেকেই বহন করতে হতে পারে।

তৈরি পোশাক শিল্পের আরেকজন অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল ঢাকা পোস্টকে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য, ভর্তুকি কমানো বা অন্য কোনো ব্যবস্থার কারণে সরকার জ্বালানির দাম বাড়িয়ে থাকতে পারে। তবে জ্বালানির দাম বাড়ার পর এর প্রভাব কীভাবে কমানো যায়, তা নজরদারিতে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, জ্বালানির দাম ২০ টাকা বাড়লেও কেউ যেন সেই সুযোগ নিয়ে পণ্যের দাম ৫০ টাকা বাড়াতে না পারে, সেদিকে নজর দিতে হবে।

মহিউদ্দিন রুবেলের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা বাংলাদেশের হয়তো নেই। তবে প্রতিযোগিতামূলক হওয়ার জন্য খরচ কমানোর আরও অনেক জায়গা রয়েছে। সেসব জায়গায় সক্ষমতা বাড়িয়ে ব্যয় কমাতে হবে।

তিনি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়ার কারণে ২০ টাকার যে প্রভাব পড়বে, অন্য কোনো ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিয়ে যদি ৩০ টাকা খরচ কমানো যায়, তাহলে প্রকৃতপক্ষে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা আরও ১০ টাকা বাড়বে।

উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, লিড টাইম কমানো এবং পণ্যে মূল্য সংযোজন বাড়ানোর মাধ্যমে মুনাফা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

একই সঙ্গে জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাব সাধারণ মানুষ ও শ্রমিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রেই পড়বে বলে উল্লেখ করেন মহিউদ্দিন রুবেল। তার মতে, সামগ্রিকভাবে পরিস্থিতি ব্যবস্থাপনা করা গেলে এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা গেলে এই প্রভাবও কমানো সম্ভব।

আন্তর্জাতিক কারণে যেসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ নেই, সেসব ক্ষেত্রে সব সময় ভর্তুকি দিয়ে চলা সম্ভব নয়। তাই যেসব জায়গায় দেশের সক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর বেশি মনোযোগ দিতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

বন্ধ হয়ে গেছে ৪০২ কারখানা

পোশাক খাতের সংকট যে কেবল সাম্প্রতিক নয়, তার চিত্র পাওয়া যায় কারখানা বন্ধের পরিসংখ্যানেও। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ৪০২টি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে বিজিএমইএর সদস্য কারখানা ২৮২টি এবং বিকেএমইএর সদস্য কারখানা ১২০টি। বৈশ্বিক চাহিদা, অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটসহ একাধিক কারণ এসব কারখানা বন্ধের পেছনে কাজ করেছে।

এছাড়া, ডিজেলের দাম গত এপ্রিল মাসে এক ধাপে ১১৫ টাকা থেকে ১৩৫ টাকায় উঠে যাওয়া এই চাপ অনেকটা বাড়িয়েছে। গ্যাস সংকটের সময় ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করা কারখানাগুলোকে এই বাড়তি ব্যয় বইতে হয়েছে। এখন নতুন করে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি খাতটিতে আরও ব্যয়ের চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে পরিবহন, পণ্যবাহী যান এবং কারখানায় কাঁচামাল আনা-নেওয়ার খরচও বাড়তে পারে।

অথচ, বাস্তবতা হলো, উৎপাদন খরচ বাড়লেও আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে বাড়তি দাম দাবি করা সব সময় সম্ভব নয়। কারখানাগুলোকে অনেক সময় আগে নির্ধারিত দামে অর্ডার সম্পন্ন করতে হয়। ফলে মাঝপথে জ্বালানি, পরিবহন বা অন্যান্য উৎপাদন ব্যয় বেড়ে গেলে তার পুরোটা ক্রেতার ওপর চাপিয়ে দেওয়া কঠিন। এ অবস্থায় বাড়তি ব্যয়ের একটি অংশ উদ্যোক্তাদের নিজেদের মুনাফা থেকে বহন করতে হতে পারে। এতে মুনাফার ব্যবধান আরও সংকুচিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পারলে নতুন অর্ডার পাওয়া এবং বিদ্যমান অর্ডার ধরে রাখাও কঠিন হতে পারে।

সামনে বড় পরীক্ষা

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে পোশাক রপ্তানিতে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি খাতটির জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর। কিন্তু একই অর্থবছরে পোশাক রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৪ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার, যা গত অর্থবছরের অর্জনের তুলনায় প্রায় ১৫ শতাংশ বেশি। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য শুধু অর্ডার বাড়লেই হবে না; উৎপাদন সক্ষমতাও সচল রাখতে হবে। প্রয়োজন হবে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ, কম উৎপাদন ব্যয়, সময়মতো পণ্য সরবরাহ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক দাম। কিন্তু ঠিক এই সময়েই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল।

এ বিষয়ে উন্নয়ন-অর্থনীতি বিশ্লেষক ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ মনোয়ার মোস্তফার ঢাকা পোস্টকে বলেন, জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাব শিল্প খাতে সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হতে পারে। বড় শিল্পের মধ্যে আরএমজি ও টেক্সটাইল খাত মূলত গ্যাস ব্যবহার করে। তবে, অনেক ক্ষেত্রে তাদেরকেও ডিজেল ব্যবহার করতে হয়। ছোট ও মাঝারি শিল্পের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করে। ফলে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা বাড়ায় এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন খরচও বেড়ে যাবে।

তার মতে, এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে বিদেশে রপ্তানিমুখী পণ্যের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কিছুটা কমতে পারে। উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে একই ধরনের পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা কঠিন হবে। তবে দেশে উৎপাদিত ও স্থানীয় বাজারে বিক্রি হওয়া পণ্যের দাম উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে বাড়তে পারে।

ফলে তৈরি পোশাকশিল্পের সামনে এখন হিসাবটা শুধু ২০ টাকা বাড়তি জ্বালানি খরচের নয়। এই বাড়তি খরচ কতটা উৎপাদনে যাবে, কতটা পরিবহনে, কতটা শ্রমিকের মজুরি ও অন্যান্য ব্যয়ে প্রভাব ফেলবে, আর কতটাই বা উদ্যোক্তার মুনাফা থেকে যাবে-সেই হিসাবই হয়ে উঠছে গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ
22 September 2026

শ্রীপুরে জমি বিক্রির নামে ৩ লাখ টাকা নেওয়া, পরে ১ লাখ ৬০ হাজার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

www.hostbuybd.com
https://slotbet.online/
22 September 2026

শ্রীপুরে জমি বিক্রির নামে ৩ লাখ টাকা নেওয়া, পরে ১ লাখ ৬০ হাজার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

www.hostbuybd.com