চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ীর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের পর দর্শনা পৌর যুবদলের সদস্য মো. রাকিবুল হাসান ব্রাইটকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের অভিযোগে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। একই সঙ্গে বহিষ্কৃত নেতার সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত) মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের অভিযোগে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে মো. রাকিবুল হাসান ব্রাইটকে দর্শনা পৌর যুবদলের সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ এর আগে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দর্শনায় সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ওই রাতে দর্শনা থানায় মামলা করেন।
মামলার পর অভিযোগের তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে চারজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। প্রাথমিক তদন্ত শেষে তাদের মধ্যে মো. রাকিবুল হাসান ব্রাইট ও দর্শনা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য অমিনকে গ্রেফতার দেখায় দর্শনা থানা পুলিশ।গ্রেফতারের পর রাকিবুল হাসান ব্রাইটের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয় কেন্দ্রীয় যুবদল। তবে মামলায় উত্থাপিত অভিযোগের চূড়ান্ত সত্যতা তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের ওপর কোনো ধরনের চাপ বা চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠলে তা দলের ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দ্রুত সাংগঠনিক পদক্ষেপকে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
https://slotbet.online/