নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ড ও বিগত নির্বাচনগুলোতে অনিয়মের পেছনে মূল কারিগর হিসেবে অভিযুক্ত উপজেলা প্রশাসনের এক প্রশাসনিক কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সারা দেশে প্রশাসন পুনর্গঠন ও বিতর্কিত কর্মকর্তাদের সরিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও সোনারগাঁওয়ে তার ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর অভিযোগ, বিতর্কিত ও একতরফা নির্বাচনগুলোতে রাতের আঁধারে সিল মারা থেকে শুরু করে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে নেপথ্য ভূমিকায় ছিলেন এই রাসেদুল ইসলাম। তৎকালীন সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের সাথে সখ্য বজায় রেখে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সাম্রাজ্য গড়ে তোলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
গণঅভ্যুত্থানের পর সাধারণ মানুষ ও বিরোধী দলগুলো সব ধরনের ফ্যাসিবাদী দোসর ও অনিয়মে জড়িত কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবি জানালেও অবৈধ টাকার বিনিময়ে তিনি নানা কৌশলে নিজ পদে বহাল রয়েছেন। এতে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে স্থানীয় সুশীল সমাজ এর মধ্যে। ২০২২ সালের ২৯ মে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি একই পদে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। প্রশাসনে একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অবস্থান নিয়ে স্থানীয় জনমনে নানা প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের মতে, নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে একই স্থানে দীর্ঘমেয়াদে অবস্থান প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
এ বিষয়ে সোনারগাঁওয়ে কর্মরত সচেতন নাগরিক সমাজ জানান, বিগত ফ্যাসিবাদের অনুসারী ও রাতের ভোটের মূল কারিগরদের প্রশাসনে রেখে কখনো বৈষম্যহীন ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। তারা দ্রুত এই বিতর্কিত প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে পদ অপসারণ ও তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাতকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
https://slotbet.online/