চুয়াডাঙ্গার উপশম নার্সিং হোমে পিত্তথলির পাথর অপসরনের অস্ত্রোপচারকালে স্থানীয় বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনায় ক্লিনিক ভাঙচুর হয়েছে। শনিবার রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সুবদিয়া গ্রামের খেজমত মোল্লার ছেলে সুবদিয়া ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রবগুল মোল্লা(৫০)’র ক্ষুব্ধ স্বজনরা ক্লিনিকে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এসময় ডাঃ তন্ময়ের মামা ডা. আবু হাসানুজ্জামান নুপুরকে মারধর করে। রোগীর বোন সখেনা খাতুন বলেন, পিত্তথলির পাথর অপসারণের অস্ত্রোপচারের জন্য শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে রবগুল মোল্লাকে উপশম নার্সিং হোমে ভর্তি করা হয়।
পরদিন শনিবার বিকেল ৩টার দিকে তাঁকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। সেখানে ক্লিনিকের মালিক ও চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. এহসানুল হক তন্ময় তাঁর অস্ত্রোপচার করছিলেন। অস্ত্রোপচারের সময় রবগুলের মৃত্যু হয়। পরে তাঁকে অপারেশন থিয়েটারে রেখেই চিকিৎসক ও অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক চলে যান।তিনি আরও বলেন,অপারেশন চলাকালে ডাক্তার তন্ময় শুধু ছোটাছুটি করছিলেন।
পরে হঠাৎ অপারেশন থিয়েটার থেকে বের হয়ে চলে যান। এরপর জানতে পারি, আমার ভাই মারা গেছে।রোগীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্লিনিক এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ স্বজনরা দফায় দফায় ক্লিনিকে ভাঙচুর করেন। এতে সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।রাতেই চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. শরীফুজ্জামান শরীফ এসে পরিস্থিতি শান্ত করান। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ যেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
https://slotbet.online/