• সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ন্যাশনাল ব্যাংকে টাকা উত্তোলনের আবেদন, ১৫ অক্টোবর থেকে স্বাভাবিক লেনদেন রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে কালো রং: চারজনের রিমান্ড মঞ্জুর, দুজনের ৩ দিন করে মালদ্বীপে বাংলাদেশি প্রবাসীর রহস্যজনক মৃত্যু, কক্ষ থেকে মরদেহ উদ্ধারের সময় নিখোঁজ ৩ জন ছাত্রদল নেতা খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি ২১৯৩ জন এআই দিয়ে ভুয়া ভিডিও তৈরি ও কণ্ঠ নকল করা হারাম: শায়খ সুদাইস সকালে ব্রাশ না করে নাশতা করলে দাঁত ও মাড়ির যেসব ক্ষতি হতে পারে এআই দিয়ে ব্যক্তিগত পছন্দের পডকাস্ট তৈরিতে হাক্সের প্রযুক্তি নিচ্ছে অ্যাপল দুর্গাপূজায় ৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালু, ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ বাতিল পাপারাজ্জিদের বাড়াবাড়িতে ক্ষুব্ধ সালমান খান, দিলেন কঠোর আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

জবিতে ‘ককটেল ও পোস্টার আনার’ ফোনালাপ শুনে ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশে সোপর্দ

জবি প্রতিনিধি  / ১৮ টাইম:
আপডেট: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) সংলগ্ন এলাকায় মুঠোফোনে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনাকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সহ-সম্পাদক মো. সুমন খান মিরাজকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কোতোয়ালি থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। জানা যায়, আটককৃত যুবকের নাম মো. সুমন খান মিরাজ।

 

তিনি কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সহ-সম্পাদক এবং তার স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালী জেলার বদরপুর এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও জবি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জানান, শনিবার রাতে জবির ২ নম্বর গেটে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের কয়েকজন অবস্থান করছিলেন। ওই সময় মিরাজ মোবাইলে অন্য কারোর সঙ্গে সন্দেহজনক কথোপকথন করছিলেন। মোবাইল ফোনে তিনি দ্রুত ককটেল, ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে আসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে তা টাঙানো ও ককটেল ফাটানোর নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। তার এই চক্রান্ত টের পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিক তাকে ঘিরে ফেলে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে মিরাজ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া দিয়ে ধরে ফেলা হয়। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত স্মার্টফোন তল্লাশি করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল-সমাবেশের ছবি পাওয়া যায়। আটকের পর তাকে সাময়িকভাবে জবির নিরাপত্তা কক্ষে রাখা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জবি ছাত্রদল নেতা সোলায়মান খান সাগর বলেন, “আমরা ক্যাম্পাসে আড্ডা দিচ্ছিলাম।

 

তখন দেখলাম, একজন ছেলে ফোনে কাউকে বলছে। আশপাশে কেউ নেই, ককটেল ও পোস্টার নিয়ে আসতে। এটা শুনে আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে সে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাকে আটক করে তার ফোনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিলের ভিডিও পাওয়া যায়। আমরা তারপর কোতোয়ালি থানা পুলিশকে ফোন দিয়ে তাদের কাছে হস্তান্তর করি।” জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজম খান বলেন, “রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। পরে ফোন পেয়ে ঘুম থেকে উঠে জানতে পারি, নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠনের একজন কর্মী ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যানার-সংক্রান্ত কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হয়েছেন। এরপর আমি পুলিশকে ফোন দিই। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। আগামীকাল বিস্তারিতভাবে বলতে পারব।” ঘটনার বিষয়ে জানতে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম রবিউল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Share this news as a Photo Card


আরো নিউজ

জবিতে ‘ককটেল ও পোস্টার আনার’ ফোনালাপ শুনে ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশে সোপর্দ

27 September 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.probashpost.com

জবিতে ‘ককটেল ও পোস্টার আনার’ ফোনালাপ শুনে ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশে সোপর্দ

27 September 2026
« « « বিস্তারিত কমেন্টে » » »
www.probashpost.com