চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ি বাজারে অভিযান চালিয়ে তিনটি মাছের দোকান ও দুটি রেস্তোরাঁকে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। মেয়াদোত্তীর্ণ ও অস্বাস্থ্যকর উপাদান ব্যবহার এবং মাছে প্রতারণার অপরাধে এই জরিমানা আদায় করা হয়। এর মধ্যে একটি রেস্তোরাঁকেই এককভাবে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয় ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি দল যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান সূত্রে জানা গেছে, দেশি মাগুর মাছের সঙ্গে চাষের শিং মাছ মিশিয়ে বিক্রি এবং চাষের শিং মাছ দেশি মাছ বলে বিক্রির অপরাধে খালেকের মাছের দোকান ও আনোয়ার ফিশকে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটি দিয়ে বার্গার তৈরি এবং কয়েক দিন ধরে ব্যবহৃত পোড়া তেল দিয়ে খাবার প্রক্রিয়াজাত করার অপরাধে সিপি ফাইভ স্টার নামের এক রেস্তোরাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে সবচেয়ে বেশি জরিমানা করা হয় ‘সাম’স’ নামের একটি রেস্তোরাঁকে। মেয়াদোত্তীর্ণ ও দুর্গন্ধযুক্ত বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে খাবার তৈরি, রান্না করা বাসি খাবারের সঙ্গে কাঁচা মাছ-মাংস একই ফ্রিজে অস্বাস্থ্যকরভাবে সংরক্ষণ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পাউরুটি খাবার তৈরির জন্য মজুত রাখার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ এবং সহকারী পরিচালক মাহমুদা আক্তার ও রানা দেবনাথ। অভিযানে পুলিশের একটি দলও অংশ নেয়।
অভিযান শেষে এ ধরনের অপরাধের পুনরাবৃত্তি না করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক করা হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।