শেষ পর্যন্ত শঙ্কাটাই সত্যি হলো। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলমান সিলেট টেস্টই শুধু নয়, দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকেও ছিটকে গিয়েছেন সাদমান ইসলাম।
সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে গোড়ালি মচকে যায় সাদমানের। এখনো এমআরআই রিপোর্ট না আসলেও লিগামেন্ট ছিড়েছে এমন সন্দেহ করছেন চিকিৎসকরা। বিসিবির মেডিকেল বিভাগের একটি সূত্র জাগো নিউজকে এটি নিশ্চিত করেছে।
শুক্রবার সকালে চোট পাওয়ার পরই সিলেটে স্থানীয় এক হাসপাতালে সাদমানের এমআরআই করানো হয়। রিপোর্ট এখনো হাতে পায়নি বিসিবির মেডিকেল বিভাগ। তবে সাদমানের গোড়ালি এখনো ফোলা অবস্থায় আছে।
বিসিবির মেডিকেল বিভাগের সূত্রটি জাগো নিউজকে জানায়, ‘ওইদিনই এমআরআই করানো হয়েছে। রিপোর্ট এখনো আসেনি। তবে প্রাথমিক পর্যালোচনার পর আমাদের সন্দেহ হচ্ছে হাড়ে চিড় হতে পারে। এছাড়া লিগামেন্টেও সমস্যা আছে। সেক্ষেত্রে খেলার জন্য ফিট হতে ৩-৪ সপ্তাহ লাগতে পারে।’
সিলেট টেস্ট শেষে ১১ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল। ১৫ নভেম্বর জোহানেসবার্গে গড়াবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। এর আগে সাদমানের পক্ষে ম্যাচ খেলার মতো ফিট হওয়া সম্ভব নয়।
এর আগে শুক্রবার দিনের অষ্টম ওভারে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে, ইনিংসের ৭৮তম ওভারে। মেহেদী হাসান মিরাজের করা ওভারের প্রথম বলে আমির জাঙ্গু ফ্লিক করলে বল গড়ায় ফাইন লেগের দিকে। সেটি থামাতে সীমানার দিকে ছুটে যান সাদমান। তবে বল আটকানোর চেষ্টা করতে গিয়ে বিপত্তিতে পড়েন তিনি। ঘাসের মধ্যে তার বাঁ পায়ের গোড়ালি আটকে মচকে যায়।
সঙ্গে সঙ্গেই ব্যথায় মাটিতে পড়ে যান এই ওপেনার। মাঠে ছুটে আসেন ফিজিও ও চিকিৎসকরা। প্রাথমিক শুশ্রূষার পর জুতা খুলে দেওয়া হলেও ব্যথার তীব্রতায় মুখ ঢেকে রাখছিলেন সাদমান। পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়াতে না পারায় পরে স্ট্রেচার এনে তাকে মাঠের বাইরে নেওয়ার পর হুইলচেয়ারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।