• মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
Headline
বানিয়ারচালা–মেম্বারবাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে সংসদ সদস্য কাপাসিয়ার দিগধা দারুল উলুম ফাযিল মাদরাসার নবনির্মিত একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন মেসির বিদায়ী ম্যাচের আগে বেনিনের গোলরক্ষক ‘আমরা আর্জেন্টিনায় ভ্রমণের জন্য আসিনি’ স্পেনে আগাম নির্বাচনের ডাক প্রধানমন্ত্রীর ১০ বছরের সম্পর্কের ইতি, বিচ্ছেদ হলো প্রীতম হাসান-শেহতাজের পূবাইলে প্লাস্টিকের গোডাউনে ভয়াবহ আগুন, ১০ কিলোমিটার যানজট সোনারগাঁয়ে দোকানে পাটের মোড়ক না থাকায় ৩ ব্যবসায়ীকে জরিমানা: ক্ষোভ প্রকাশ স্থানীয়দের জলঢাকায় শিশুর মৃত্যু নিয়ে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন খাগড়াছড়িতে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ শিশুশ্রম নিরসনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

জবিতে ‘ককটেল ও পোস্টার আনার’ ফোনালাপ শুনে ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশে সোপর্দ

জবি প্রতিনিধি  / ৯ টাইম:
আপডেট: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) সংলগ্ন এলাকায় মুঠোফোনে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনাকালে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সহ-সম্পাদক মো. সুমন খান মিরাজকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কোতোয়ালি থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। জানা যায়, আটককৃত যুবকের নাম মো. সুমন খান মিরাজ।

 

তিনি কবি নজরুল সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির সহ-সম্পাদক এবং তার স্থায়ী ঠিকানা পটুয়াখালী জেলার বদরপুর এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শী ও জবি ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা জানান, শনিবার রাতে জবির ২ নম্বর গেটে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের কয়েকজন অবস্থান করছিলেন। ওই সময় মিরাজ মোবাইলে অন্য কারোর সঙ্গে সন্দেহজনক কথোপকথন করছিলেন। মোবাইল ফোনে তিনি দ্রুত ককটেল, ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে আসা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে তা টাঙানো ও ককটেল ফাটানোর নির্দেশনা দিচ্ছিলেন। তার এই চক্রান্ত টের পেয়ে শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিক তাকে ঘিরে ফেলে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে মিরাজ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া দিয়ে ধরে ফেলা হয়। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত স্মার্টফোন তল্লাশি করে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল-সমাবেশের ছবি পাওয়া যায়। আটকের পর তাকে সাময়িকভাবে জবির নিরাপত্তা কক্ষে রাখা হয়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জবি ছাত্রদল নেতা সোলায়মান খান সাগর বলেন, “আমরা ক্যাম্পাসে আড্ডা দিচ্ছিলাম।

 

তখন দেখলাম, একজন ছেলে ফোনে কাউকে বলছে। আশপাশে কেউ নেই, ককটেল ও পোস্টার নিয়ে আসতে। এটা শুনে আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে সে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাকে আটক করে তার ফোনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিলের ভিডিও পাওয়া যায়। আমরা তারপর কোতোয়ালি থানা পুলিশকে ফোন দিয়ে তাদের কাছে হস্তান্তর করি।” জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজম খান বলেন, “রাতে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। পরে ফোন পেয়ে ঘুম থেকে উঠে জানতে পারি, নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠনের একজন কর্মী ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণ ও ব্যানার-সংক্রান্ত কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হয়েছেন। এরপর আমি পুলিশকে ফোন দিই। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। আগামীকাল বিস্তারিতভাবে বলতে পারব।” ঘটনার বিষয়ে জানতে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম রবিউল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

Share this news as a Photo Card


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো নিউজ
04 October 2026

শিশুশ্রম নিরসনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

www.hostbuybd.com
https://slotbet.online/
04 October 2026

শিশুশ্রম নিরসনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

www.hostbuybd.com