নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের শ্যামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিংয়ের রুটিকে কেন্দ্র করে দুই সহকারী শিক্ষকের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে সহকারী শিক্ষিকা রাজিয়া সুলতানা আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয়ের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। প্রথমে রুটি বিতরণকে কেন্দ্র করে সহকারী শিক্ষিকা রাজিয়া সুলতানার সঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কথা-কাটাকাটি হয়।
পরে বিষয়টি নিয়ে সহকারী শিক্ষক শাখাওয়াত হোসেন ও রাজিয়া সুলতানার মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ উঠেছে, এ সময় উত্তেজিত হয়ে শাখাওয়াত হোসেন লোহার কাটারজাতীয় ধারালো সরঞ্জাম দিয়ে রাজিয়া সুলতানার হাতে আঘাত করেন। এতে তিনি আহত হন। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও আঘাতের ধরন তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমতা বেগম বলেন, “রাজিয়া যেখানে যান, সেখানে ঝগড়ার সৃষ্টি করেন। বিষয়টি সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করেছি। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি প্রতিবেদন দিলে পরবর্তী ব্যবস্থা সম্পর্কে জানানো হবে। বিদ্যালয়ের মতো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের মধ্যে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা শিক্ষার পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা। আরো অভিযোগ উঠেছে শাখাওয়াত হোসেন স্কুলের ছাত্রীদের নানান ভাবে নির্যাতন করেন,এবং পিঠে হাত দেন বলে জানিয়েছেন অত্র স্কুলের ছাত্রীরা। জলঢাকা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌসি হ্যাপির সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন,আমি প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে পাঠিয়েছি আমাকে জানালে আমরা তদন্ত করে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহন করবো।