ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় যে ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করা হয়, অনেক সময় পরে সেটি আর ব্যবহার করতে চান না। আবার কারো ক্ষেত্রে পুরোনো ই-মেইল অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায় বা নিরাপত্তার কারণে নতুন ই-মেইল যুক্ত করার প্রয়োজন হয়। এমন পরিস্থিতিতে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে থাকা ই-মেইল ঠিকানা পরিবর্তন করা যায়।
ফেসবুকে এই কাজের জন্য আলাদা করে কোনো জটিল প্রক্রিয়ার প্রয়োজন নেই। মেটার অ্যাকাউন্টস সেন্টার থেকেই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ই-মেইল ঠিকানা যোগ, মুছে ফেলা কিংবা প্রয়োজন অনুযায়ী ম্যানেজ করা যায়। কীভাবে করবেন, ধাপে ধাপে দেখে নিন।
প্রথমে ফেসবুক অ্যাপ বা ওয়েবসাইট খুলে নিজের প্রোফাইল ছবিতে ক্লিক করুন।
এরপর সেটিংস অ্যান্ড প্রাইভেসিতে গিয়ে সেটিংস নির্বাচন করুন।
সেটিংসের মধ্যে অ্যাকাউন্টস সেন্টার নামে একটি অপশন পাবেন। সেখানে ঢুকতে হবে।
অ্যাকাউন্টস সেন্টারে প্রবেশ করার পর পার্সোনাল ডিটেলস অপশনে ক্লিক করুন।
এরপর কন্ট্যাক্ট ইনফো নির্বাচন করুন।
এখানে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে বর্তমানে যুক্ত ফোন নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানার তথ্য দেখতে পাবেন।
নতুন কোনো ই-মেইল ঠিকানা অ্যাকাউন্টে যুক্ত করতে চাইলে অ্যাড নিউ কন্ট্যাক্টে ক্লিক করুন।
এরপর অ্যাড ই-মেইল অ্যাড্রেস নির্বাচন করুন। এবার যে নতুন ই-মেইলটি ব্যবহার করতে চান, সেটি লিখুন এবং কোন অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সেটি যুক্ত হবে তা নির্বাচন করুন।
এরপর নেক্সট চাপলে ফেসবুক আপনার নতুন ই-মেইল ঠিকানায় একটি ভেরিফিকেশন বা কনফার্মেশন কোড পাঠাবে।
ই-মেইলে পাওয়া কোডটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসিয়ে আবার নেক্সট চাপুন।
প্রক্রিয়া শেষ হলে ক্লোজ নির্বাচন করুন। নতুন ই-মেইলটি অ্যাকাউন্টে যুক্ত হয়ে যাবে।
পুরোনো ই-মেইল আইডি মুছে ফেলবেন কীভাবে?
অ্যাকাউন্টে থাকা পুরনো ই-মেইলটি আর রাখতে না চাইলে কন্ট্যাক্ট ইনফো বিভাগে ফিরে যান।
সেখানে যে ই-মেইল ঠিকানাটি সরাতে চান, সেটিতে ক্লিক করুন।
এরপর ডিলিট ই-মেইল নির্বাচন করে আবার মুছে ফেলার বিষয়টি নিশ্চিত করুন।
নিরাপত্তার কারণে ফেসবুক এ সময় আপনার অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চাইতে পারে। সঠিক পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর সাবমিট এবং তারপর ক্লোজ চাপলে পুরোনো ই-মেইলটি অ্যাকাউন্ট থেকে সরিয়ে দেওয়া যাবে।
ই-মেইল পরিবর্তনের আগে যা মনে রাখবেন
ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ই-মেইল বদলাতে চাইলে পুরোনো ই-মেইল সরিয়ে নতুন ই-মেইল যুক্ত করার প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে পারেন। তবে নতুন ই-মেইলটি সক্রিয় এবং নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ভবিষ্যতে অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নোটিফিকেশন বা নিরাপত্তা যাচাইয়ের কাজে এটি প্রয়োজন হতে পারে।
এছাড়া অ্যাকাউন্টস সেন্টার থেকেই অ্যাকাউন্টের ই-মেইল সংক্রান্ত কিছু গোপনীয়তা সেটিংস নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কোন ই-মেইলটি প্রাইমারি হিসেবে ব্যবহার হবে এবং সেটি কারা দেখতে পারবেন, সেই বিষয়েও প্রয়োজন অনুযায়ী সেটিংস ঠিক করে নিতে পারেন।