২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশের জার্সিতে শেষবার মাঠে নেমেছিলেন সাকিব আল হাসান। এরপর রাজনৈতিক নানা কারণে দেশেই ফিরতে পারেননি তিনি। বয়স পৌঁছে গেছে ৪০-এর কোটায়, ফলে আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরাটাও সাকিবের জন্য কঠিন। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের পর এইচপি দলে মেন্টর হিসেবে কাজ করেছেন। তামিম ইকবাল এখন বিসিবি সভাপতি। মুশফিকুর রহিম এখন খেলেন শুধু টেস্ট ক্রিকেট। দেশসেরা ক্রিকেটার সাকিবকেও কোচ বা মেন্টর হিসেবে কাজে লাগানো যায় কিনা? এমন প্রশ্ন করা হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিখ্যাত ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপের কাছে।
সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে তিনি এখন মিরপুর শেরে বাংলায়।সেখানে সাকিবের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে সরাসরি মন্তব্য রাজি হননি বিশপ। তিনি বলেন, ‘সাকিব কেন এখানে নেই, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানার মতো অবস্থানে আমি নেই। সংবাদমাধ্যমে যা পড়েছি, তার বাইরে বিষয়টির জটিলতা সম্পর্কে আমার জানা নেই। তাই এ নিয়ে মন্তব্য করতে চাই না।’ তবে নিজ দেশের সাবেক ক্রিকেটারদের উদাহরণ টেনে তাদের কাজে লাগানোর কথা বলেছেন বিশপ। তিনি বলেন, ‘ক্যারিবীয় অঞ্চলে ব্রায়ান লারা, কার্টলি অ্যামব্রোস, মাইকেল হোল্ডিং, জোয়েল গার্নার ও গর্ডন গ্রিনিজের মতো কিংবদন্তি ক্রিকেটার রয়েছেন।
ক্যারিবীয় ক্রিকেট যদি কাইরন পোলার্ড, ডোয়াইন ব্রাভো কিংবা ড্যারেন স্যামির মতো ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে, তাহলে আমাদের ক্রিকেট আরও সমৃদ্ধ হবে। তারা জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন, আবার স্কুলপর্যায়ের শিশুদেরও শেখাতে পারেন। এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের ক্রিকেটব্যবস্থাও শক্তিশালী হবে।’বিশপ আরো বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে যারা অভিজ্ঞতা ও সাফল্য অর্জন করেছেন, তাদের জ্ঞান যেন হারিয়ে না যায়। বাংলাদেশেও এই ধারাটা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। ক্যারিবীয় অঞ্চলেও আমরা সেটাই করার চেষ্টা করছি।’