গাজীপুরে ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে শ্রমিক বিক্ষোভ চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল থেকে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও সকাল পৌনে ১০টার পর থেকে শ্রমিকরা মহাসড়কে নেমেছে। এতে ওই মহাসড়কে থেমে থেমে যানবাহন চলছে। এদিকে শ্রমিক আন্দোলনের কারণে গাজীপুরে আজ নতুন করে অর্ধশত কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আজ গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকার প্রায় অর্ধশত পোশাক কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি কারখানার গেটে লেখা রয়েছে কারখানা বন্ধ। তবে সড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে বিএনপি ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন বলেন, কিছু জায়গায় শ্রমিক আন্দোলন হচ্ছে। আজ এখন পর্যন্ত নতুন করে ৫০টি কারখানা ছুটি দেওয়া হয়েছে। নাওজোর এলাকায় শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে। সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রয়েছে। তাদেরকে বুঝিয়ে সরানোর চেষ্টা চলমান রয়েছে। গতকাল যেগুলো ছুটি দেওয়া হয়েছিল সেগুলো মধ্যে কিছু খুলেছে, কিছু বন্ধ আছে।
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে গত কয়েকদিন যাবৎ গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্প এলাকার শ্রমিকরা বিক্ষোভ, অবরোধ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে আসছিল। এসব ঘটনায় পুলিশ ও সাংবাদিকসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এছাড়া গতকাল পুলিশের গাড়িসহ বিভিন্ন যানবাহন ও কারখানার গুদামে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।